স্মৃতিচারণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্মৃতিচারণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৫

বইয়ের কাছে ফিরি (স্মৃতিচারণ)

বই দিবে, বই। হরেক রকম বই দরকার আমার। দিতে পারবে ? সেটা কালজয়ী হোক কিংবা অখ্যাত কোন লেখকের প্রথম বই হোক কোন আপত্তি নেই। তারপরও আমার বই চাই। এটা এখনকার যুগে হয়ত অস্বাভাবিক শোনাচ্ছে । তবে আজ থেকে ৮/১০ বছর আগের তরুণ-তরুণীদের মনো চাহিদা ছিল এটিই।

হৈমন্তী : স্মৃতিচারণ

আমার খালাতো ভাই যে কিনা এবার এস এস সি দেবে। ঢাকায় থাকে। তো ঢাকায় গেলে ওর সাথে খুব গল্প চলে। কাকে ভাল লাগল, ওর বন্ধুরা কার কার সাথে ইয়ে ইয়ে করে সব ঘটনা আমাকে বলা চায়। গল্প শুনতে শুনতে রাতের অন্ধকার দিনের আলোয় দূর হয়ে যায়। এত বড় রাতটা যে গল্পের মাঝে কিভাবে কেটে যায় তা টের পাওয়া যায় না।

স্মৃতিচারণ : একটি চড়ুই

সময় অনেক দ্রুত যায় তাই না! কত সময় চলে গেল। অথচ মনে হচ্ছে এইতো সেদিন ছোটকাল পার করে এলাম। আমার কথার মধ্যে জড়তা তা নিয়ে কত জন হাসাহাসি করত!!! তখন তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ি। বাসার পাশেই কাঁঠাল গাছ। কাঁঠাল গাছটি অনেক স্লিম। জায়গার অভাবেই হয়ত সে নিজেকে ঐভাবে গড়ে নিয়েছে। তবে অনেক কাঁঠাল ধরত। কেউ আবার মুখ লাগানোর চেষ্টা করবেন না। অযথা শ্রম নষ্ট। কারণ মুখ লাগিয়ে লাভ নেই। ৩ বছর আগে প্রিয় কাঁঠাল গাছটি কেটে ফেলা হয়েছে।

সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

ঈদের দিন.....২০১১

রাতের বেলা একটু দেরিতেই ঘুমালাম। ঈদের আগের দিন বলে একটু আগেই ঘুমানো ছিল। কিন্তু রোজার মধ্যে রাত জাগার মাসব্যাপী অভ্যাসটা হঠাৎ করে পরিবর্তন করতে না পারায় ঘুম আনার চেষ্টা করেও রাত তিনটার আগের ঘুমাতে পারি নাই।

সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

বইয়ের কাছে ফিরি

বই দিবে, বই। হরেক রকম বই দরকার আমার। দিতে পারবে ? সেটা কালজয়ী হোক কিংবা অখ্যাত কোন লেখকের প্রথম বই হোক কোন আপত্তি নেই। তারপরও আমার বই চাই। এটা এখনকার যুগে হয়ত অস্বাভাবিক শোনাচ্ছে । তবে আজ থেকে ৮/১০ বছর আগের তরুণ-তরুণীদের মনো চাহিদা ছিল এটিই।

মোবাইলের হরেক রকম অফার, ডিশের শত চ্যানেল, ইন্টারনেটে সারা বিশ্বের বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং, এফ এম রেডিও ইত্যাদির চাপে তরুণ সমাজের বিশাল একটা অংশের সাথে আজ বইয়ের সম্পর্ক নেই বললেই চলে। অথচ এক সময় বই-ই ছিল বিনোদনের সবচেয়ে বড় উপায়।

কলেজ জীবনের প্রথম বন্ধুত্ব

সব অপরিচিত মুখ। একে অন্যকে আপনি করে বলা। ক্লাসের শেষের বেঞ্চের দিকে গিয়ে গুটিসুটি মেরে বসলাম। পাশেই মেয়েদের বেঞ্চ। মেয়েরা খুব হাসাহাসি করছিল। মনে হচ্ছিলো আমাকে নিয়েই হাসছে। লজ্জায় ওদের দিকে তাকাতে পারি না।

মনের মধ্যে গুমোট ভাবের মধ্যে ক্লাস শেষ হলো। ঐটাই বিশ্ববিদ্যালয় ( বিশ্ববিদ্যালয় বলার স্পর্ধা ক্ষমা করবেন, চট্টগ্রাম কলেজ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ভুক্ত কলেজগুলো স্পষ্টভাবে বিশ্ববিদ্যালয় বলা হয় না) জীবনের প্রথম ক্লাস। অনেকের কাছে অনেক আনন্দের হয়েছে। কিন্তু আমার তেমন কিছু মনে হয়নি। অন্তত লেখার জন্যতো নয়ই। আমার মতো মুখচোরা স্বভাবের ছেলেরা সহজে মিশতে না পেরে অনেক আনন্দদায়ক উপলক্ষ্যতে নিজেদের জড়াতে পারে না। মনে অন্যরা কি ভাববে এরকম একটা ভয় কাজ করে।

এবার বাড়ী ফিরার পালা। সবাই ক্লাস থেকে বের হচ্ছে। আমিও কারো গায়ে যাতে ধাক্কা না লাগে এরকম সতর্কতার সাথে বের হই। গেটের বাইরে দেখি চার জনের একটা দল যাচ্ছে। আমি তাদের পিছে। হঠাৎ একটা ছেলে পিছে তাকিয়ে বলে, আপনিও না আমাদের সাথে ক্লাস করেছেন? আমি সুমন।

সত্যায়িত হতে গিয়ে

সত্যায়িত হতে গিয়ে যেসব বালক/ বালিকা নিরুপায়ত্তোর জীবনের প্রথম রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি করতে বাধ্য হন তাদের উদ্দেশ্যে লেখাটি উৎসর্গ করা হলো-------------

বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরম নিয়েছি। জমা দিতে হবে। তাই সংশ্লিষ্ট , ছবি সত্যায়িত করার প্রয়োজন পড়ল। মফস্বল থেকে ঢাকা শহরে পড়তে আসা ছেলে আমি। এখানে এমন পরিচিত কেউ নেই যে কিনা সত্যায়িত করে দেবে।

প্রথম জানাযার নামাজ

তখন সম্ভবত তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ি। পড়তাম বান্দরবানের একটা বেসরকারী বিদ্যালয়ে। ডিসেম্বর মাস। স্কুলে বার্ষিক পরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়ে গেল। সেদিন আমিও একটা পুরষ্কার পেয়েছিলাম যেমন খুশি তেমন সাজোতে রিপু দেওয়া লুঙ্গি পড়ে স্যারদের কাছ থেকে ভিা খোঁজার জন্য। ভিা হিসাবে কয়েকজন স্যারের কাছ থেকে ২০ কি ২১ টাকার মত পেয়েছিলাম। সেদিন অনেকের সাথে পুরষ্কার পেয়েছে আমাদের এক বছর জুনিয়য় কমল। সে পেয়েছিল শ্রেণীর মেধা তালিকায় স্থান পাওয়ায়। পুরষ্কার হিসাবে পেল একটা সুন্দর কাঁচের প্লেট। দুপুরে গিয়ে সে প্লেটে দুপুরের খানাও খেল।

আকাশে যুক্ত হলো নতুন তারা

গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারী বান্দরবানে চিটাগাং কলেজের অর্থনীতি বিভাগ থেকে ৫ টি গাড়ী বহর নিয়ে এক পিকনিক আসে। ফিরার পথে সে গাড়ী পড়ে যায় গভীর খাদে। আমরা হারায় আমাদের বিভাগের সাতজন ভাইবোনকে। সাথে হারাই দু অভিভাবককে। সে ঘটনার পর আমরা যারা ঐ পিকনিকে ছিলাম তারা একটা ডায়েরী নিজেদের কম্পিউটার থেকে অফসেট পেপারে বের করি। ২০ জনের লেখা ছিল।
১২ ফেব্রুয়ারী ২০১০ এ যেখানে গাড়ী পড়ছিল তার উপরে জুমার নামাজের পর দোয়া দরুদ পড়া হবে।

সংকলনটিতে আমার লেখা সম্পাদকীয়

একটি রাতের ফোন

বাংলাদেশে রাত তখন ১ টা ১৩। তারিখ ২মার্চ, ২০১০।

সেসময় মোবাইলে ভাইব্রেশন। তীব্র ভাইব্রেশনের কারণে টেবিল কাঁপছে। দেখলাম আননোন নাম্বার। এত রাতে আবার কে? ধরলাম ফোন।

আপনি কি...................। মজার ব্যাপার হচ্ছে যার নাম বলা হচ্ছে আমি তা না। ইদানিং অনেকেই এটা জিজ্ঞেস করে আপনি কি ........। যদিও আমার নাম ঐইটা না। তারপরও বলতে হয় জ্বী আমি............। ওদের কি দোষ দেব যে লেখাটি পড়ে ফোন দেয় সেখানে যে আমার ছদ্ম নাম হিসাবে সেটাই দেওয়া হয়েছে। আমার ঐ লেখাটা পড়ে উৎসাহ দিয়ে, আবেগীয় ভালোবাসা দিয়ে, পরামর্শ দিয়ে ৬০ জনের উপর ফোন করেছে। এমনকি দেশের বাহিরে থেকেও। সবাই ছেলে। প্রথম কোন মহিলা পাঠক ফোন করলেন কাল।

প্রথম আলো ব্লগারদের বনভোজন


যাত্রা পথে :১

মোবাইলের এলার্মেই ঘুম ভাঙলোএরিমধ্যে মুরুব্বী জামান ভাইয়ের কল আসল প্রথমেই গুড মর্নিং জানালেনউঠছি নাকি জিজ্ঞাসা করলেনবললাম, জ্বী উঠে গেছিতখন বললেন , জিয়া না উঠলে উঠায় দেন, ও সহজে উঠতে চায় নাআমি বললাম, ঠিক আছে উঠায় দিচ্ছিজিয়া ভাই অন্য রুমে ঘুমাচ্ছেনওনার রুমের দরজার সামনে গিয়ে কিছুক্ষণ ডাকলামনা কাজ হলো নাকিছুক্ষণ পর দেখলাম নিজে নিজে উঠলেনএরই মধ্যে জিয়া ভাইয়ের ব্যক্তিগত গাড়ির ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে চলে আসল

একটি রেল ভ্রমণ



ঢাকা থেকে ফিরছিচড়ুইভাতি পাহাড়পুর শেষেরেলের টিকেট নিয়েছিলামটিকেট নেওয়ার সময় বার বার বলেছিলাম জানালার পাশে যেন সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়রেল কর্মকর্তাও মাথা নেড়েছিলেন

তা নির্দিষ্ট দিনে রেলে এসে উপস্থিত হলামসকাল বেলার ট্রেনমহানগর প্রভাতীট্রেনের রঙ সাদাযদিও ধূলাবালির প্রখর আক্রমণে সাদাচে হয়ে গেছে একেবারে সর্বশেষে আমার বগিটিকেট হাতে নিয়ে বগিতে সিট খুঁজতে লাগলাম কিছুক্ষণের মধ্যে পাওয়া গেল সিটকিন্তু মাথা একটু খারাপ হলো আমার সিট নাম্বারটি করিডর পার্শ্বজানালা পাশ্ব নামনে মনে ক্ষোভ হলো ঐ রেলওয়ে কর্মকর্তার উপরএতবার বলে দিলাম তারপরও জানালার পাশে সিট দিল নাকি শুনছিল কে জানে

কম্পিউটার নিয়ে কিছু স্মৃতি


ছোটকাল থেকেই কম্পিউটারকে দুর্লভ এবং অনেক অনেক বড় কিছু ভাবতামযাদের বাসায় কম্পিউটার থাকতো তাদের অনেক বড় মনে হতোহিংসা হতো

তা ২০০৫ সালে একটা কম্পিউটার নিয়ে ফেললামঢাকায় বসুন্ধরা সিটিতে মেলা চলছিলসেখানে ফ্লোরাতে অর্ডার দিলামতিনদিন পর দিবেমেলা থেকে নেওয়ার প্রকাশ্য লাভ হচ্ছে কম্পিউটারের সাথে একটি ক্যামেরা ফ্রিঅলিম্পাস এনালগ ক্যামেরাভাগ্যিস তখন ডিজিটাল সরকার ছিল নাএনালক ক্যামেরা নিয়ে কোন তিরস্কার শুনতে হয় নাই

মানু বানাইয়ে!



তখন আর্মিদের সাথে জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরিতে কাজ করছি। দুর্গম দুর্গম এলাকা যেতে হতো। কখনো দীর্ঘ পথ হেঁটে, কখনোবা হেলিকপ্টারে যাওয়া।

তো সেখানে
আমরা রাতে আড্ডা দিতামমজার মজার কথার আড্ডা! বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথাআমরা বলতে আর্মি ও আমরা কয়েকজন বেসামরিক লোকঅনেক বেশি দুর্গম এলাকা। মোটামুটি আধুনিক জগত থেকে আমরা বিচ্ছিন্ন!

ঢাকায় পরীক্ষা হলে..


গতকাল সারাদিন জার্নিতে চলে গেছেপ্রায় ৩৩৪ কি মি মোটামুটি দীর্ঘ এক বাস জার্নি
ছোট বোনের এইচ এস সি পরীক্ষাসে উদ্দেশ্যে ঢাকা আসা
হল পড়েছে মতিঝিল আইডিয়াল কলেজেতা সকালে ওকে কলেজে নিয়ে এলাম গার্জিয়ানদের অনেক ভীড়কোন কোন গার্জিয়ানের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে পরীক্ষা মেয়ের না যেন নিজের

রবিবার, ২৭ জুন, ২০১০

মুসলমানী করার সময়

তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ি। বেসরকারি স্কুল কোচিং শুরু হয়েছে। বাধ্যতামূলক ভাবে করতে হয়। একদিন অনুপস্থিত থাকার জো নেই। ঠিক এ সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় আমাকে মুসলমানী করা হবে। বয়স বেড়ে যাচ্ছে। আর দেরি করা ঠিক হবে না। তা ডাক্তারের সাথে সবকিছু চূড়ান্ত করা হলো। নির্দিষ্ট দিনে ডাক্তারের কাছে গেলাম। আমার সঙ্গী আব্বু, নানা, নানু। আমি ভয়ে অস্থির। কিই না কি করে। তবে দেখলাম আমার চেয়ে বেশি আতঙ্কিত হয়ে আছেন আমার নানা। হঠাৎ সবার কাছ থেকে আলাদা করে আমাকে অপারেশন রুমে ঢুকানো হলো। দেখি অপারেশন রুমের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হলো। নানা ঢুকতে উকি ঝুকি দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাকে মানা করা হলো।