সুন্দর এবং সারপ্রাইজড দিন পেতে হলে ভাগ্যবান হতে হয়। আজ সকালে লালখান
বাজারে নেমে আবিষ্কার করলাম আমি ভাগ্যবানদের একজন। পনের জনের একটা দল আমাকে
উইশ করতে সে আগে থেকে অপেক্ষা করে আছে। পরিকল্পনা করেছে অতি গোপনীয়তার
সাথে যাতে কোনক্রমেই আমি জানতে না পারি। এজন্য তারা একদিন আগে শিল্পকলায়
যুক্ত হয়ে মিটিংও করেছে। বৃষ্টি হলে কোন স্থানে হবে তাও ভেবে রেখেছে। আমাকে
সারপ্রাইজড দিতে চায়।
অনলাইন থেকে অফলাইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অনলাইন থেকে অফলাইন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৫
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৫
চট্টগ্রামে আড্ডা
১ মে-২০১৩
আজ আড্ডায় জিকু আশরাফ এর একটু বেশিই আক্রমণ হলো কথার দ্বারা। সাড়ে সাত বছর দুই দিনের ব্যাপার নিয়েই বেশি কথা হলো তাকে নিয়ে, জিকুর নাম নীরব ভাই জিতু কেন দিলেন সেটা নিয়ে কথা হলো। এক পর্যায়ে বেচারা জিকু ফকিরকে অর্থ সাহায্য দিয়ে বলল, আমার একটু দোয়া করিয়েন, আর কেউ যেন আক্রমণ না করে।
চা খাওয়া চলল। নোমান ভাই মাঝে মাঝে মুচকি মুচকি হাসছিলেন। এক সময় সবার প্রশ্ন দেখি, Kasafaddauza Noman ভাই এত চুপ কেন।
ফেসবুকে লিংক.
আজ আড্ডায় জিকু আশরাফ এর একটু বেশিই আক্রমণ হলো কথার দ্বারা। সাড়ে সাত বছর দুই দিনের ব্যাপার নিয়েই বেশি কথা হলো তাকে নিয়ে, জিকুর নাম নীরব ভাই জিতু কেন দিলেন সেটা নিয়ে কথা হলো। এক পর্যায়ে বেচারা জিকু ফকিরকে অর্থ সাহায্য দিয়ে বলল, আমার একটু দোয়া করিয়েন, আর কেউ যেন আক্রমণ না করে।
চা খাওয়া চলল। নোমান ভাই মাঝে মাঝে মুচকি মুচকি হাসছিলেন। এক সময় সবার প্রশ্ন দেখি, Kasafaddauza Noman ভাই এত চুপ কেন।
কথা কম বলার যুক্তিসংগতই উত্তর দিলেন।
চায়ের বিল নোমান ভাইই দিলেন। জানা গেলো তিনি চিটাগং এলে এ জায়গাতেই তার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেন। আরেকটা ব্যাপার জানালো জিকু ভাই জানালো, যেদিন সাভার দূর্ঘটনা হয়েছে, সেদিনই ঢাকা শহরের ভবন ধসের আশংকায় নাকি চট্টগ্রাম এসে গেছেন নোমান ভাই!
Kolpo Bilashi পুডিং বানিয়ে আনতে গিয়ে আসতে দেরি করে ফেলল। বাসায় পুডিং বানাতে গিয়ে হাত পুড়ালো, ডেসকি পুড়ালো। কিন্তু মনের মত পুডিং বানাতে না পারায় সেগুলো আনলো না। আসার সময় দোকান থেকে বিশাল আকৃতির পুডিং কিনে আনলো। সে পুডিং তৃপ্তি সহকারে সবাই খেলো। এরমধ্যে তৃপ্ত সুপ্ত আপু তার ক্যামেরায় গ্রুপ ছবি তুলে দিলেন।
প্রথম অবস্থান ছিল আমাদের ডাচ বাংলের অপজিটে গ্রামীণের সৌজন্যে দেওয়া পথচারী ছাউনিতে।
প্রথম অবস্থান থেকে লাল খান বাজারের পেছনের বাটালি হিলের উপরে আড্ডা দেয়ার জন্য স্থান নির্ধারণ করা হলো। কিন্তু কয়েকজনের অনাগ্রহের কারণে তা বাতিল। পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে শিল্পকলা ঠিক হলো।
এরমধ্যে নোমান ভাই বিদায় নিলেন। তার বন্ধুরা তার জন্য অপেক্ষা করছে।
আমার একসাথে থাকতে ইচ্ছা করছে, মজার আড্ডা ছেড়ে যেতে ইচ্ছা করছে না। কিন্তু অফিস শুরু হয়ে গেছে ৫ টা থেকে। আগেরর দিনও দেরি করে গিয়েছি। তাই মন উসখুশ করছিল অফিসে যাওয়ার জন্য। এম্নেতেই এক ঘন্টার ওপর দেরি হয়ে গেছে। তাই মন শক্ত করে জিইসি মোড় থেকে বিদায় নিতে বাসে উঠার প্রস্তুতি নিলাম। কিন্তু ছোট ভাইগুলোর বাধা। তাদের কথা এক দিন দেরি হলে কিছু হবে না। এরমধ্যে হুট করে কল্প তরু এসে আমার হাতের থেকে মোবাইলটা নিয়ে ফেলল। সুন্দর করে হাঁটা দিলো। সবাই দেখি বেশ সমর্থন দিলো এ ঘটনায়। এরমধ্যে আমাদের দল বেঁধে হাটা চলা শিল্পকলার উদ্দেশ্যে। শিল্প কলায় পৌঁছে কিছুক্ষণ আড্ডা দেয়ার পর বিদায় নিয়ে অফিসের দিকে আসলাম।
আড্ডায় অনেক বেশি প্রাণবন্ত দেখা গেছে জিসান বাপ্পি কে। এছাড়া যাদের উপস্থিতিতে আড্ডা প্রাণবন্ত তারা হচ্ছে, জাহিদ, নিলয়, ইমদাদ, পিনাক, রাহী....................
চায়ের বিল নোমান ভাইই দিলেন। জানা গেলো তিনি চিটাগং এলে এ জায়গাতেই তার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেন। আরেকটা ব্যাপার জানালো জিকু ভাই জানালো, যেদিন সাভার দূর্ঘটনা হয়েছে, সেদিনই ঢাকা শহরের ভবন ধসের আশংকায় নাকি চট্টগ্রাম এসে গেছেন নোমান ভাই!
Kolpo Bilashi পুডিং বানিয়ে আনতে গিয়ে আসতে দেরি করে ফেলল। বাসায় পুডিং বানাতে গিয়ে হাত পুড়ালো, ডেসকি পুড়ালো। কিন্তু মনের মত পুডিং বানাতে না পারায় সেগুলো আনলো না। আসার সময় দোকান থেকে বিশাল আকৃতির পুডিং কিনে আনলো। সে পুডিং তৃপ্তি সহকারে সবাই খেলো। এরমধ্যে তৃপ্ত সুপ্ত আপু তার ক্যামেরায় গ্রুপ ছবি তুলে দিলেন।
প্রথম অবস্থান ছিল আমাদের ডাচ বাংলের অপজিটে গ্রামীণের সৌজন্যে দেওয়া পথচারী ছাউনিতে।
প্রথম অবস্থান থেকে লাল খান বাজারের পেছনের বাটালি হিলের উপরে আড্ডা দেয়ার জন্য স্থান নির্ধারণ করা হলো। কিন্তু কয়েকজনের অনাগ্রহের কারণে তা বাতিল। পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে শিল্পকলা ঠিক হলো।
এরমধ্যে নোমান ভাই বিদায় নিলেন। তার বন্ধুরা তার জন্য অপেক্ষা করছে।
আমার একসাথে থাকতে ইচ্ছা করছে, মজার আড্ডা ছেড়ে যেতে ইচ্ছা করছে না। কিন্তু অফিস শুরু হয়ে গেছে ৫ টা থেকে। আগেরর দিনও দেরি করে গিয়েছি। তাই মন উসখুশ করছিল অফিসে যাওয়ার জন্য। এম্নেতেই এক ঘন্টার ওপর দেরি হয়ে গেছে। তাই মন শক্ত করে জিইসি মোড় থেকে বিদায় নিতে বাসে উঠার প্রস্তুতি নিলাম। কিন্তু ছোট ভাইগুলোর বাধা। তাদের কথা এক দিন দেরি হলে কিছু হবে না। এরমধ্যে হুট করে কল্প তরু এসে আমার হাতের থেকে মোবাইলটা নিয়ে ফেলল। সুন্দর করে হাঁটা দিলো। সবাই দেখি বেশ সমর্থন দিলো এ ঘটনায়। এরমধ্যে আমাদের দল বেঁধে হাটা চলা শিল্পকলার উদ্দেশ্যে। শিল্প কলায় পৌঁছে কিছুক্ষণ আড্ডা দেয়ার পর বিদায় নিয়ে অফিসের দিকে আসলাম।
আড্ডায় অনেক বেশি প্রাণবন্ত দেখা গেছে জিসান বাপ্পি কে। এছাড়া যাদের উপস্থিতিতে আড্ডা প্রাণবন্ত তারা হচ্ছে, জাহিদ, নিলয়, ইমদাদ, পিনাক, রাহী....................
ফেসবুকে লিংক.
শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৫
ভার্চুয়ালে প্রিয় মানুষগুলো..
দুইটা ভিন্ন জগত। একটা অপরটির বিকল্প না। তারপরও অপর জগত বিষয়ে বন্ধুদের কাছ থেকে হারমেশাই টিপ্পনি খেতে হয়। ব্লগ, ফেসবুক তথা অন্তর্জালে আমার একটি আলাদা জগত হয়ে উঠেছে। সেখানে পেয়েছি অনেক প্রিয় মানুষ। ভার্চুয়াল বন্ধুত্ব বলে ওই জগতের বন্ধুত্বের ব্যাপারটিকে কেউ কেউ তুচ্ছার্থ করে। এ জিনিসটায় ভীষণ খারাপ লাগে। ভার্চুয়ালে ফেক নিক থাকে এটা যেমন সত্য তেমন অনেক ভাল বন্ধুও জুটে যায় এ জগতে।
সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
রবীন্দ্র সরোবরে আমরা ক জনা !!
ঘন্টা খানেক আগে ফিরলাম। হ্যা ব্যাপক যানযটককে হজম করতে করতে। মাঝে মাঝে একটু ঝিমুনি দিয়েছিলাম। তারপরও ভাগ্য ভাল যেখানে নামার কথা তার আগে ঘুম ভাঙছে। সুতরাং ভুল জায়গায় নামি নাই।
রবীন্দ্র স্মরণীতে
গিয়ে পৌছেই দেখি কেউ নাই। সবাই বাসায় ঘুম যাচ্ছে নাকি। যে গরম পড়ছে ঘুম যাওয়ায় স্বাভাবিক। দিলাম ফোন জিয়া ভাইকে, না ধরেন নাই, এরপর জামান ভাইকে। না তিনিও ধরেণ না। এবার সৈকত ভাইকে দিলাম। না এখানে রিং হয়ে অফ হয়ে গেল। সবার কি হলো?
বৈশাখে ঢাকায় ব্লগারদের সাথে -২০০৯
প্রাণে বাজে বৈশাখী মাদল" একদিকে চলছে মঞ্চ বানানো অন্যদিকে চলছে আমাদের প্রাণবন্ত আড্ডা
মহাসমারোহে চলছে
প্রথম আলো ব্লগারস ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত প্রথম অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আত্ম প্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে প্রথম আলো ব্লগার স ফোরামের । সবাই মহা উত্তেজিত। মঞ্চ বানানো হচ্ছে।
এদিকে একপাশে রাতের আড্ডা চলছে। বিভিন্ন বিষয়ে কথাবার্তা হচ্ছে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)