যে লেখাগুলো নিজেরই প্রিয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যে লেখাগুলো নিজেরই প্রিয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

সুন্দর সময় ( গল্প** )

অনেক বৃষ্টি । সাধারণত বৃষ্টি হওয়ার বেশ কিছুক্ষণ আগে থেকে মেঘ ঘুরাঘুরি করে আকাশে। সূর্যের সাথে মেঘের লড়াই চলে। একসময় বৃষ্টি নামে। কিন্তু কেন যেন তা হয় না। এই সুন্দর ফকফকা আকাশ। মেঘের কোন লক্ষণ নাই। অথচ হঠাৎ মেঘের আগমণ। সাথে সাথে বৃষ্টি। অনেকেই বৃষ্টির পানি থেকে বাঁচতে গিয়েও পারে নাই। কঠিন সে বৃষ্টি। আমার বৃষ্টিতে ভিজতে ভালই লাগে। তাই আমার সমস্যা নাই। কিন্তু আমার সাথে যে আছে ওর ঠান্ডার সমস্যা। একটু বৃষ্টিতে ভিজলেই ওর ঠান্ডা লেগে যায়। টনসিল ফুলে উঠে। কিছু খেতে পারে না। খেলেই গলা ব্যথা করে। তাই ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও ও বৃষ্টিতে ভিজে না।

সোমবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১২

মায়া (গল্প)

মঈন সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। নিজেকে মাঝে মাঝে মানুষ ভাবতে ইচ্ছে হয়, ইচ্ছে হয় আবেগী ভাবতে। যে চলন্ত পথে মেয়েদের গলার চেইন, কানের দুল টান দিয়ে হাওয়া হয়ে যায় সে আবেগী হয় কিভাবে। অনেক সময় কানে দুল টানতে গিয়ে কানের লতি ছিড়ে যায়। কিন্তু সেদিকে দেখার সময় কই। তার আগেই অদৃশ্য হয়ে যায় মঈন। অদৃশ্য হতে সেকেন্ড দেরি করার উপায় নেই। ইদানিং গণপিটুনি বেড়ে গেছে। গণপিটুনি মানে হচ্ছে মৃত্যু। তার দলের রাজু মারা গেল এক মাস আগে। একটুর জন্য ধরা পড়ে গেল। চেইন নিয়ে দৌড় দিচ্ছে এসময় দেখে একটা হোন্ডা জোরে আসছে সেটা দেখে থমকে দাঁড়াতেই পিছে এসে একজন ধরে ফেলে। আর যায় কই। শুরু হয় মাইর। হোন্ডার নিচে পড়ে মরলেও এত কষ্ট পেত না। মানুষের গণপিটুনিতে যত কষ্ট। দূর থেকে মঈন সব দেখছিল। নিজের সাগরেদ মারা যাচ্ছে অথচ কিছু করা যাচ্ছে না। দূর থেকে শুধু দেখে গেল চল্লিশ পঞ্চাশ জন লোক একটা লোককে সমানে মেরে যাচ্ছে।......

সহ্য (গল্প)

একটু পর পর টুক টুক আওয়াজ হচ্ছে। ছন্দময় আওয়াজ। একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর। হয়ত প্রতিটা সময় সূক্ষ্ণ ভাবে মিলছে। একটার পর আরেকটার মাঝে যে সময় তা একই। মধ্যখানের সময় ব্যবধান একই নাকি তা ধরার চেষ্টা করে ইব্রাহিম। স্টপ ওয়াচ থাকলে ভাল হতো। কিন্তু তা হাতের কাছে নেই। মুখই ভরসা। সে গুণে যায় এক, দুই, তিন, চার পাঁচ বলতে যায় ঠিক তখনই আবার শব্দ হয়। প্রতিবারই এমন হচ্ছে। পাঁচ আর বলা হয় না। অথ্যাৎ প্রতি সাড়ে চার সেকেন্ড পর পর শব্দ হচ্ছে। সুন্দর সময় সচেতন তো। সময়ানুবর্তিতার চমৎকার উদাহরণ। ............

মুক্তি (গল্প)

গ্রামটার নাম ইয়াবামী। ক্যামেরুনে। উত্তরে দুয়ালা শহর থেকে কয়েক ঘন্টার পথ। তবে রাস্তার অবস্থা ভাল না। মাটির রাস্তা। বর্ষাকালে সম্পূর্ণ রাস্তা কাদা হয়ে যায়। কোথাও কোথাও জমে চোরা বালি। গাড়ীর চাকা সে চোরাবালিতে আটকে পড়ে। তাই বর্ষা কালে এদিকে তেমন গাড়ি যায় না।........

শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২

দুঃখ ( গল্প )

ঝর্ণার পানি গুলো পড়ছে অনেক উপর থেকে। একেবারে স্বচ্ছ সে পানি। পানির পড়ার একটা সুন্দর শব্দ। পানি যেখানে পড়ছে সেখানে মাটি জমে গেছে। পাথরের মত শক্ত সে স্থান। পানি পাহাড়ের পথ ধরে অনেক দূর ভিতরে চলে যায়। রকিবের ইচ্ছা হয় ভিতরে গিয়ে সেসব পানি কতদূর যায় তা দেখার। কিন্তু যে পিচ্ছিল আর ঘন বন তা সম্ভব নয়।...........

বিজ্ঞান মেলায় (গল্প)


অনিক চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ে একটা বেসরকারি বিদ্যালয়ে। এখানে শুধু নিয়ম আর নিয়ম। এটা করা যাবে না, এইটা করতে হবে এরকম হাজারো সীমাবদ্ধতা। বিদ্যালয়ের ছোট্ট একটি মাঠ আছে বটে। তবে সেখানে অনিকরা ইচ্ছে করলেও খেলতে পারে না। মাঠে উঁচু শ্রেণীর ছেলেরা ক্রিকেট খেলে। সেখানে ছোট শ্রেণীর ছেলেদের নেওআ হয় না।
বিজ্ঞান ক্লাস চলছে। সবাই নিরব। এতটুকু শব্দ করার সুযোগ নেই। কেননা জসিম স্যার খুব কড়া। কেউ কথা বললে ভীষণ শাস্তি দেন। কোনো বিষয় না বুঝলে প্রশ্ন পর্যন্ত করার পর্যন্ত সাহস পায় না কেউ। স্যার মাঝে মাঝে ভয়াবহ কান্ড করে বসেন। গত বছরে যেমনটি করেছিলেন। আফসার পিছনের সিটে বসেছিল। পাশের জনের সাথে কথা বলছে। স্যার তা লক্ষ্য করে হাতরে ডাস্টারটি তার দিকে ছুঁড়ে মারেন। কপালের একপাশে লেগে তা নিচে পড়ে যায়। মাথার একপাশ ফেটে রক্ত বের হয়। আফসার নিজের কপাল চেপে ধরে রক্ত বন্ধ করার চেষ্টা চালায়।.......................

রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২

সাতাশ তারিখ (গল্প)

রাতে ঘুম না আসার কারণ ভাবছিলাম। ইদানিং এ সমস্যাটা হচ্ছে। রাতের অনেকটা কেটে যায়। অথচ ঘুমের দেখা পাই না। কিছু নিয়ে যে দুশ্চিন্তায় আছি তা নয়। তবে এখন ঘুম না হওয়ার কারণ নিয়ে টেনশন করছি। একারণেই হয়ত ঘুম আসছে না। টেনশনমুক্ত হওয়ার জন্য মোবাইলে অল্প ভলিউমে গান প্লে করি। প্রীতমের গান।

রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০১০

বাসর ---( বড় গল্প )

।।প্রথম পর্ব।।

ফরিদের মাথা ব্যথা করছে। ভীষণ ব্যথা। একটু আগে নাপা ট্যাবলেট খেয়েছে দুইটা এক সাথে। তারপরও কাজ করছে না। অথচ আজ দিনটি জীবনে একবারই আসে। প্রাণ প্রণ চেষ্টা করছে মাথা ব্যথা ভুলতে কিন্তু পারছে না। বাসায় মেহমান ভর্তি। কেউ সোফায়, কেউ মেঝেতে থাকবে রাত্রে। তবে নতুন বউ জামাইয়ের জন্য আলাদা কক্ষের ব্যবস্থা। শত হোক বাসর রাত বলে কথা।