মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০১৩

অনুরোধ

: আচ্ছা একটা অনুরোধ করবো রাখবে?
:
আগে বলো, রাখার মত হলে রাখা হতেও পারেরাখার মত না হলে তুলে রাখবোতবে ফেলে দেবো না এ ব্যাপারে পুরাপুরি নিশ্চিত থাকতে পারো
:
তুমি না.......

শনিবার, ৮ জুন, ২০১৩

লিংক পিডিয়া (Bangladesh)

নাহ (গল্প)

চোখ বন্ধ করলেই ঘুম হয়ে গেলে ভাল হতো। জোর করে চোখ বন্ধ করে রাখছি। কিন্তু ঘুমের কোন দেখা নেই। এ মুহূর্তে যে কেউ আমাকে দেখলেই মনে করবে আমি ঘুমিয়ে আছি। কিন্তু বুঝবেও না আমি ঘুমের জন্য কি সংগ্রামটাই না করছি।

সারপ্রাইজ

লুবনার মেজাজ চরম খারাপ। জন্মদিনে মেজাজ খারাপ করা ভাল দেখায় না। কিছুক্ষণ আগে বন্ধুদের সাথে জন্মদিনের উইশ করে এসেছে।
হলে থাকে। রুমমেট চারজনই এখন আত্মীয়। কেক এনে কাটাকাটি হলো। একজনের মুখে অন্যজন কেক মাখিয়ে দিলো। নিজের মেজাজ খারাপের বিষয়টা আড়াল করে ওদের সাথে মাস্তি করেছে লুবনা।

সোমবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১২

মায়া (গল্প)

মঈন সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। নিজেকে মাঝে মাঝে মানুষ ভাবতে ইচ্ছে হয়, ইচ্ছে হয় আবেগী ভাবতে। যে চলন্ত পথে মেয়েদের গলার চেইন, কানের দুল টান দিয়ে হাওয়া হয়ে যায় সে আবেগী হয় কিভাবে। অনেক সময় কানে দুল টানতে গিয়ে কানের লতি ছিড়ে যায়। কিন্তু সেদিকে দেখার সময় কই। তার আগেই অদৃশ্য হয়ে যায় মঈন। অদৃশ্য হতে সেকেন্ড দেরি করার উপায় নেই। ইদানিং গণপিটুনি বেড়ে গেছে। গণপিটুনি মানে হচ্ছে মৃত্যু। তার দলের রাজু মারা গেল এক মাস আগে। একটুর জন্য ধরা পড়ে গেল। চেইন নিয়ে দৌড় দিচ্ছে এসময় দেখে একটা হোন্ডা জোরে আসছে সেটা দেখে থমকে দাঁড়াতেই পিছে এসে একজন ধরে ফেলে। আর যায় কই। শুরু হয় মাইর। হোন্ডার নিচে পড়ে মরলেও এত কষ্ট পেত না। মানুষের গণপিটুনিতে যত কষ্ট। দূর থেকে মঈন সব দেখছিল। নিজের সাগরেদ মারা যাচ্ছে অথচ কিছু করা যাচ্ছে না। দূর থেকে শুধু দেখে গেল চল্লিশ পঞ্চাশ জন লোক একটা লোককে সমানে মেরে যাচ্ছে।......

দু:খী মেয়ে (গল্প)

০১. মা-বাবা মরা একটা মেয়ে কতটুকু অসহায় থাকে তা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝার কথা না। বুঝেও না। আর মেয়েটি যদি একটু বড় হয় তাহলে তো কথাই নাই। আশ্রয় দিতে সবাই ভয় পায়। চাচা মামা দুই পক্ষই দুই পক্ষের দিকে বাড়িয়ে দেয়। কেউ রাখতে রাজি না। শেষ পর্যন্ত যখন দেখা যায় কেউ রাখছে না তখন বড় মামা যিনি কিনা কেরানি এবং স্বচ্ছল্লতার দিক দিয়ে অন্যদের চেয়ে কম তিনি আশ্রয় দেন আসমাকে। যদিও এটা নিয়ে মামীর অনেক কথা শুনতে হয় মামাকে। - অন্যরা এত বড় লোক, কেউ তো রাখলো না। তুমি কেন আনতে গেলে?...........

সহ্য (গল্প)

একটু পর পর টুক টুক আওয়াজ হচ্ছে। ছন্দময় আওয়াজ। একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর। হয়ত প্রতিটা সময় সূক্ষ্ণ ভাবে মিলছে। একটার পর আরেকটার মাঝে যে সময় তা একই। মধ্যখানের সময় ব্যবধান একই নাকি তা ধরার চেষ্টা করে ইব্রাহিম। স্টপ ওয়াচ থাকলে ভাল হতো। কিন্তু তা হাতের কাছে নেই। মুখই ভরসা। সে গুণে যায় এক, দুই, তিন, চার পাঁচ বলতে যায় ঠিক তখনই আবার শব্দ হয়। প্রতিবারই এমন হচ্ছে। পাঁচ আর বলা হয় না। অথ্যাৎ প্রতি সাড়ে চার সেকেন্ড পর পর শব্দ হচ্ছে। সুন্দর সময় সচেতন তো। সময়ানুবর্তিতার চমৎকার উদাহরণ। ............

অন্যরকম অপেক্ষা (গল্প)

অতি চেনা মানুষ যখন অচেনা মানুষের মত আচরণ করে তখন খারাপ লাগে। নিজেকে ছোট মনে হয়। মনের আকাশে জমে কালো মেঘ। যে মেঘ সহজে সরতে চায় না। স্থায়ী ভাবে বসে পড়ার একটা নিরন্তর চেষ্টা করে যায়। কখনোবা মনের একপাশ যুদ্ধ করে যায় সে কালো মেঘ সরাতে। তখন কষ্টটা আরো বাড়ে। বাধা পেয়ে যেন ঐ কালো মেঘ আরো ঝাঁকিয়ে বসতে চায়। বাধা না দিলেই মনে হয় ভাল। ....

মুক্তি (গল্প)

গ্রামটার নাম ইয়াবামী। ক্যামেরুনে। উত্তরে দুয়ালা শহর থেকে কয়েক ঘন্টার পথ। তবে রাস্তার অবস্থা ভাল না। মাটির রাস্তা। বর্ষাকালে সম্পূর্ণ রাস্তা কাদা হয়ে যায়। কোথাও কোথাও জমে চোরা বালি। গাড়ীর চাকা সে চোরাবালিতে আটকে পড়ে। তাই বর্ষা কালে এদিকে তেমন গাড়ি যায় না।........

অসহায় জীবন (গল্প)

ঘরটার একটা অংশ ভাঙা। পিছনের পাক ঘরটা প্রায় সম্পূর্ণটাই। আগে সেখানে রান্না হতো। কিন্তু এখন সে অংশ ভাঙা। ছাদের কিছুটা ঝুলে আছে। ছাদের লোহার সাথে কংক্রিট সিমেন্ট লেগে আছে। যে কোন সময় নিচে পড়তে পারে। সেজন্য সেখানে এখন আর রান্না করা হয় না। পরিত্যক্ত পড়ে আছে সে কক্ষটি। ঠিক করতে হবে। কিন্তু যে ঠিক করবে সেই যে অনেকটা পরিত্যক্ত হয়ে আছে।............