সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

কার কষ্ট বেশি (গল্প)

শান্ত সকাল। কারো সাথে দেখা করার জন্য বিকালটাই কেমন যেন প্রচলিত। বেশির ভাগ দেখাই বিকালে হয়। সকালে তেমন হয় না। তবে আবীর আর লিজা সকালে এসেছে দেখা করতে। একটা কফি শপে বসে আছে ওরা। দুজন মুখোমুখি। সামনে কফির বদলে লাচ্ছি। যদিও কেউ খাওয়া শুরু করে নি।

এই সকাল বেলায় কফি শপে ভীড় নেই। লিজা আর আবীর বসেছে কোণার দিকের এক টেবিলে। অন্য একটি টেবিলে তিন জন বসা। আর বাকী সব গুলোই খালি।

নেকলেস ( গল্প )

-তুমি আমাকে আগের মত ভালবাসো না।
হঠাত জুইয়ের এই কথা শুনে আশ্চর্য হয় তারেক। একটু আগে যার জন্য এত সুন্দর গহনা আনলো সে যদি এই কথা বলে তাহলে খারাপ লাগারই কথা। যেই সেই গহনা না। সাড়ে তিন ভরির নেকলেস। মুক্তা বসানো আছে মাঝখানে মাঝখানে। দেখলেই ধরতে ইচ্ছা করে। দামও অনেক পড়েছে। ব্রিফকেসে দুই লাখের মত ছিল। পরে ড্রাইভারকে পাঠিয়ে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে বাকী টাকা এনেছে।

সুন্দর সময় ( গল্প** )

অনেক বৃষ্টি । সাধারণত বৃষ্টি হওয়ার বেশ কিছুক্ষণ আগে থেকে মেঘ ঘুরাঘুরি করে আকাশে। সূর্যের সাথে মেঘের লড়াই চলে। একসময় বৃষ্টি নামে। কিন্তু কেন যেন তা হয় না। এই সুন্দর ফকফকা আকাশ। মেঘের কোন লক্ষণ নাই। অথচ হঠাৎ মেঘের আগমণ। সাথে সাথে বৃষ্টি। অনেকেই বৃষ্টির পানি থেকে বাঁচতে গিয়েও পারে নাই। কঠিন সে বৃষ্টি। আমার বৃষ্টিতে ভিজতে ভালই লাগে। তাই আমার সমস্যা নাই। কিন্তু আমার সাথে যে আছে ওর ঠান্ডার সমস্যা। একটু বৃষ্টিতে ভিজলেই ওর ঠান্ডা লেগে যায়। টনসিল ফুলে উঠে। কিছু খেতে পারে না। খেলেই গলা ব্যথা করে। তাই ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও ও বৃষ্টিতে ভিজে না।

জলরঙ্গে আঁকা জলছাপ ( গল্প )

-এই শুনছো?
-হুম।
-হুম কি? বলো জ্বী।
-জ্বী।
-এভাবে বলছো কেন?
কিভাবে বলছি?
এই প্রশ্নের উত্তরে প্রশ্ন করবে না। উত্তর দিবে।
-কি উত্তর দিবো?
-আশ্চর্য ব্যাপারতো আবার প্রশ্ন করছো?

অস্পৃশ্য ভাললাগা ( গল্প )

পরীক্ষার হলে এক অন্যরকম ব্যাপার হলো। এই ধরণের অবস্থায় আগে কখনো পড়ি নি। এক সাংঘাতিক অবস্থা। পরীক্ষা নিয়ে চিন্তার চেয়ে আরো বেশি চিন্তা সেখানে গিয়ে বসা। আমার সিট পড়েছে দরজার সাথে। আমার ঠিক পাশে একটা মেয়ে। অন্য কলেজের। ঠিক বরাবর সামনে মেয়ে। আর পিছেও মেয়ে। কোথায় পাশে বন্ধু বসলে সমস্যায় তার সাথে কথা বলে লিখবো তা না হয়ে জড়সড় হয়ে বসে থাকা। কিছু করতে গেলেই কেমন বিব্রত লাগে। আমি বরাবরই বেশি লিখি। হাত ব্যাথা করে। কিন্তু হাত ঝাড়ি না। কি না কি ভাবে এই ভয়ে। একটা মেয়ের কাছ থেকে না হয় এড়িয়ে থাকা যায় তাই বলে তিনটা মেয়ে!!

ঈদের দিন.....২০১১

রাতের বেলা একটু দেরিতেই ঘুমালাম। ঈদের আগের দিন বলে একটু আগেই ঘুমানো ছিল। কিন্তু রোজার মধ্যে রাত জাগার মাসব্যাপী অভ্যাসটা হঠাৎ করে পরিবর্তন করতে না পারায় ঘুম আনার চেষ্টা করেও রাত তিনটার আগের ঘুমাতে পারি নাই।

রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

দেখা নাটক

।।গল্প : ০১।।
"শেষ থেকে শুরু" নামে একটা নাটক দেখছি।
মেয়েটি ধরলো তাকে খাওয়াতে হবে পাঁচতারা হোটেলে। ছেলেটি জিজ্ঞেস করলো, কবে?
: এখন।
: রাতে যাই?
পরে ছেলেটি রাতেই মেয়ে যে দামী রেস্টুরেন্টে খেতে চায় সেখানে খাওয়ায়।
জানা যায়, ছেলেটির হাতে তখন টাকা ছিল না। সে টাকা যোগাড় করতে নিজের মোবাইল বিক্রি করে দিয়েছিল। এজন্য দিনে খাওয়াতে পারেনি!

চলতি পথে : ফেসবুক

গল্প : ০১

কিছুক্ষণ আগে আগ্রাবাদের একটা অভিজাত হোটেলের সামনে একটা মাইক্রোবাস এসে থামলো। ভেতরে একটা মেয়ে ও কয়েকটা ছেলে। তাদের হয়ত প্ল্যান ছিল হোটেলে রুম নিবে। মেয়েটাকে সেখানে নেওয়া হবে।
মেয়েটাকে নামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে মাইক্রোবাস থেকে। কিন্তু মেয়েটা নামবে না। জোড়াজোড়ি করা হচ্ছে। মেয়েটা কিছুতেই নামবে না। টানাটানি চলছে। এক বড় ভাই সেটা দেখে মাইক্রোবাসের কাছে এগোলেন। পকেট থেকে মোবাইল বের করলেন। সেটা দেখা মাত্রই মাইক্রোটি একটানে চলে গেলো।

হোয়াটস অ্যাপের গল্প

গল্প : ০১
৩ সেপ্টেম্বর হোয়াটস অ্যাপে নক এলো গ্রামীণ একটা নম্বার থেকে।
- কি অবস্থা?
নাম্বারটা চিনতে পারলাম না। কিন্তু উত্তর তো দেয়াই যায়। উত্তর দিলাম- ভালো, আপনার?

-এত ভদ্র হলেন কবে থেকে?
-কে?
-চিনেন না আপনি আমাকে?

স্ট্যাটাস রোমান্টিকগুলো (আগের)

 সেপ্টেম্বর : ২০১৪।।
০১
-একটা কথা বলি?
- একটা না দশটা বলো। আর ছেলেদের এমন মিউ মিউ গলা আমার পছন্দ না। যা বলবা স্ট্রেট কাট বলে ফেলবে। এত অনুমতির কি আছে।
রিয়াদ ঢোক গিলে। কোন মেয়ের সাথে বাবা-মা বিয়ে দিলো। এইতো পুরাই অন্যরকম। আর কিছু বলার সাহস পায় না। এই মেয়ের সাথে বাকী জীবনটা কাটাতে হবে ভেবে আতঙ্কিত হয় রিয়াদ।
-কি কথা বলছো না কেন? মুখ থেকে কি জোর করে কথা বের করতে হবে নাকি?