বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৫

বিশ্বাসঘাতক (অনুগল্প)

এ পরীক্ষাও খারাপ হলো নীতুর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাল বাস চড়ার অনেক শখ ছিল। ইচ্ছে ছিল টিএসসিতে আড্ডা দিবে। ঢাবি নামক রাজ্যটায় সেও একজন হবে।
কেউ যখন জিজ্ঞেস করবে কোথায় ভর্তি হলে খুব খুশী মনে উত্তর দিবে, ঢাবি।
ভাবতেই ভালো লাগতো।

কোটা (অনুগল্প)

লাবিবা মেয়েটা শ্যামলা চেহারার। মুখের মধ্যে অনেক বেশি মায়া ছড়িয়ে আছে। ও যখন হাসে তখন মনে হয় সারা মুখে যেন দুষ্টামি ছড়িয়ে আছে। চোখগুলোও যেন হাসে। দেখে থাকতেই ইচ্ছা হয়। আবীর তো সাথে থাকলে অদ্ভূত সব কাণ্ড করে যেন লাবিবা হাসে।
লাবিবা বলে, তুই এত দুষ্টামি করিস কেন?

ঢাবি

ফরিদ সাহেব ঢাবিতে লেখাপড়া করেছেন। স্কলারশীপ নিয়ে কানাডা যান। সেখানেই চাকরি হয়। মধ্যখানে দেশে এসে বিয়ে করেন।
তার মেয়ে আছে। মেয়ের বর্তমান বয়স নয় বছর। বিদেশে বড় হলেও বাংলা বলতে পারে। বাসাতে মেয়ের সাথে তিনি বাংলাতেই কথা বলেন।

ম্যাডাম

নীরা মানবিক বিভাগে পড়ে। মফস্বলের একটা মহিলা কলেজে। সেখানে হোস্টেলের ব্যাবস্থা আছে। সে হোস্টেলে থাকে।

হোস্টেলের সিস্টেমগুলো কেমন যেন! একবার হোস্টেলের রান্না ঘরে যে মহিলা দায়িত্ব পালন করে তাকে বলেছিল, আন্টি ঝালটা আরেকটু কম দিয়েন।
তা শুনে সে মহিলা এমন একটা ভাব নিলো যাতে মনে হতে পারে অনেক বড় একটা অপরাধের কথা সে বলে ফেলেছে।

ইরেজার

নিচে লাফ দিলে কি হয়?
এমন প্রশ্নে শারমিনের দিকে তাকায় ইফতি। হঠাৎ করে একথা আসলো কোথা থেকে তা ওর মাথায় ঢুকে না।
ওরা বসে আছে পাঁচ তলা ওপর একটা রেস্টুরেন্টে। রেস্টুরেন্টের দেয়াল নেই। বড় থাই কাঁচের গ্লাস। কালো রঙ্গের কাচ সরালেই খোলা আকাশ দেখা যায়।নিচে গাড়ি ঘোরা চলছে। ছোট ছোট দেখা যায় সব।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা

পাঞ্জাবিটা একটু ঢোলা হয়েছে। কালো রঙ্গের পাঞ্জাবি। মৌমিতার পছন্দের রঙ কালো। গত তিন বছর ধরে সজিব কালো রঙ্গের কাপড় কিনে।
টি টেবিলের ওপর রাখা একটি কেক। তার ওপরে ছোট ছোট মোমবাতি রাখা। মোমবাতিগুলো জ্বলছে। সজিব অপেক্ষা করছে। মোমবাতি গুলো যখন নিভে যাবে তখন কেক কাটা হবে।

বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৫

চট্টগ্রামে আড্ডা

১ মে-২০১৩
আজ আড্ডায় জিকু আশরাফ এর একটু বেশিই আক্রমণ হলো কথার দ্বারা। সাড়ে সাত বছর দুই দিনের ব্যাপার নিয়েই বেশি কথা হলো তাকে নিয়ে, জিকুর নাম নীরব ভাই জিতু কেন দিলেন সেটা নিয়ে কথা হলো। এক পর্যায়ে বেচারা জিকু ফকিরকে অর্থ সাহায্য দিয়ে বলল, আমার একটু দোয়া করিয়েন, আর কেউ যেন আক্রমণ না করে।
চা খাওয়া চলল। নোমান ভাই মাঝে মাঝে মুচকি মুচকি হাসছিলেন। এক সময় সবার প্রশ্ন দেখি, Kasafaddauza Noman ভাই এত চুপ কেন।
কথা কম বলার যুক্তিসংগতই উত্তর দিলেন।

চায়ের বিল নোমান ভাইই দিলেন। জানা গেলো তিনি চিটাগং এলে এ জায়গাতেই তার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেন। আরেকটা ব্যাপার জানালো জিকু ভাই জানালো, যেদিন সাভার দূর্ঘটনা হয়েছে, সেদিনই ঢাকা শহরের ভবন ধসের আশংকায় নাকি চট্টগ্রাম এসে গেছেন নোমান ভাই!

Kolpo Bilashi পুডিং বানিয়ে আনতে গিয়ে আসতে দেরি করে ফেলল। বাসায় পুডিং বানাতে গিয়ে হাত পুড়ালো, ডেসকি পুড়ালো। কিন্তু মনের মত পুডিং বানাতে না পারায় সেগুলো আনলো না। আসার সময় দোকান থেকে বিশাল আকৃতির পুডিং কিনে আনলো। সে পুডিং তৃপ্তি সহকারে সবাই খেলো। এরমধ্যে তৃপ্ত সুপ্ত আপু তার ক্যামেরায় গ্রুপ ছবি তুলে দিলেন।

প্রথম অবস্থান ছিল আমাদের ডাচ বাংলের অপজিটে গ্রামীণের সৌজন্যে দেওয়া পথচারী ছাউনিতে।

প্রথম অবস্থান থেকে লাল খান বাজারের পেছনের বাটালি হিলের উপরে আড্ডা দেয়ার জন্য স্থান নির্ধারণ করা হলো। কিন্তু কয়েকজনের অনাগ্রহের কারণে তা বাতিল। পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে শিল্পকলা ঠিক হলো।

এরমধ্যে নোমান ভাই বিদায় নিলেন। তার বন্ধুরা তার জন্য অপেক্ষা করছে।
আমার একসাথে থাকতে ইচ্ছা করছে, মজার আড্ডা ছেড়ে যেতে ইচ্ছা করছে না। কিন্তু অফিস শুরু হয়ে গেছে ৫ টা থেকে। আগেরর দিনও দেরি করে গিয়েছি। তাই মন উসখুশ করছিল অফিসে যাওয়ার জন্য। এম্নেতেই এক ঘন্টার ওপর দেরি হয়ে গেছে। তাই মন শক্ত করে জিইসি মোড় থেকে বিদায় নিতে বাসে উঠার প্রস্তুতি নিলাম। কিন্তু ছোট ভাইগুলোর বাধা। তাদের কথা এক দিন দেরি হলে কিছু হবে না। এরমধ্যে হুট করে কল্প তরু এসে আমার হাতের থেকে মোবাইলটা নিয়ে ফেলল। সুন্দর করে হাঁটা দিলো। সবাই দেখি বেশ সমর্থন দিলো এ ঘটনায়। এরমধ্যে আমাদের দল বেঁধে হাটা চলা শিল্পকলার উদ্দেশ্যে। শিল্প কলায় পৌঁছে কিছুক্ষণ আড্ডা দেয়ার পর বিদায় নিয়ে অফিসের দিকে আসলাম।

আড্ডায় অনেক বেশি প্রাণবন্ত দেখা গেছে জিসান বাপ্পি কে। এছাড়া যাদের উপস্থিতিতে আড্ডা প্রাণবন্ত তারা হচ্ছে, জাহিদ, নিলয়, ইমদাদ, পিনাক, রাহী....................

ফেসবুকে লিংক.

বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

উইন্ডোজ এক্সপি

## অপ্রয়োজনীয় ফাইল সমূহ ডিলিট করতে ##

উইন্ডোজ এর অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করা::
run→eventvwr→select application, system, ……, microsoft office sessions →action→clear all events→no
run→ prefetch→ ok→ ctrl+A →shift+delete
run→%temp%→ok→ select all→shift+delete

শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৫

ভার্চুয়ালে প্রিয় মানুষগুলো..

দুইটা ভিন্ন জগত। একটা অপরটির বিকল্প না। তারপরও অপর জগত বিষয়ে বন্ধুদের কাছ থেকে হারমেশাই টিপ্পনি খেতে হয়। ব্লগ, ফেসবুক তথা অন্তর্জালে আমার একটি আলাদা জগত হয়ে উঠেছে। সেখানে পেয়েছি অনেক প্রিয় মানুষ। ভার্চুয়াল বন্ধুত্ব বলে ওই জগতের বন্ধুত্বের ব্যাপারটিকে কেউ কেউ তুচ্ছার্থ করে। এ জিনিসটায় ভীষণ খারাপ লাগে। ভার্চুয়ালে ফেক নিক থাকে এটা যেমন সত্য তেমন অনেক ভাল বন্ধুও জুটে যায় এ জগতে।