সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

প্রথম আলো ব্লগারদের বনভোজন


যাত্রা পথে :১

মোবাইলের এলার্মেই ঘুম ভাঙলোএরিমধ্যে মুরুব্বী জামান ভাইয়ের কল আসল প্রথমেই গুড মর্নিং জানালেনউঠছি নাকি জিজ্ঞাসা করলেনবললাম, জ্বী উঠে গেছিতখন বললেন , জিয়া না উঠলে উঠায় দেন, ও সহজে উঠতে চায় নাআমি বললাম, ঠিক আছে উঠায় দিচ্ছিজিয়া ভাই অন্য রুমে ঘুমাচ্ছেনওনার রুমের দরজার সামনে গিয়ে কিছুক্ষণ ডাকলামনা কাজ হলো নাকিছুক্ষণ পর দেখলাম নিজে নিজে উঠলেনএরই মধ্যে জিয়া ভাইয়ের ব্যক্তিগত গাড়ির ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে চলে আসল

আরজে (বড় গল্প)

মেয়েদের সাথে আমি কথা কম বলি। অপরিচিত মেয়ের সাথে কথা বলতে কেমন জানি নার্ভাস ফিল করি। তাই মেয়েদের চক্রে আমার সচরাচর ঢুকা হয় না। সবাই যখন কথা বলতে চায় মেয়েদের সাথে তখন আমার এই কথা না বলতে চাওয়াটাকে অনেকে দেখে ভিন্নচোখে। সেদিনতো লম্বা চুল রাখা ছেলেটা বলেই ফেলল, দোস্ত তোমার বোধ হয় সমস্যা আছে। নিশ্চয় কোন মেয়ে থেকে ছ্যাক খায়ছো। যে কারণে মেয়েদের এড়িয়ে চলো।

বয়সের ফাঁদ (বড় গল্প)



সকাল বেলায় মোবাইলের ডিজিটাল অক্ষরের ডিজিট গুলোতে সময় ঘন্টায় ৮ ও পার হয় নিএ সময় ফোনএত সকালে টিটু উঠে নামোবাইলের রিং য়ে উঠতে হলোসানিজার ফোন

ঘুম ঘুম গলায় এ পাশ থেকে টিটু বলে- হ্যালো
:
গলা পরিষ্কার করআগে ঘুম বন্ধ করঘুম ঘুম গলা অসহ্য লাগছে
কড়া নির্দেশ

একটি রেল ভ্রমণ



ঢাকা থেকে ফিরছিচড়ুইভাতি পাহাড়পুর শেষেরেলের টিকেট নিয়েছিলামটিকেট নেওয়ার সময় বার বার বলেছিলাম জানালার পাশে যেন সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়রেল কর্মকর্তাও মাথা নেড়েছিলেন

তা নির্দিষ্ট দিনে রেলে এসে উপস্থিত হলামসকাল বেলার ট্রেনমহানগর প্রভাতীট্রেনের রঙ সাদাযদিও ধূলাবালির প্রখর আক্রমণে সাদাচে হয়ে গেছে একেবারে সর্বশেষে আমার বগিটিকেট হাতে নিয়ে বগিতে সিট খুঁজতে লাগলাম কিছুক্ষণের মধ্যে পাওয়া গেল সিটকিন্তু মাথা একটু খারাপ হলো আমার সিট নাম্বারটি করিডর পার্শ্বজানালা পাশ্ব নামনে মনে ক্ষোভ হলো ঐ রেলওয়ে কর্মকর্তার উপরএতবার বলে দিলাম তারপরও জানালার পাশে সিট দিল নাকি শুনছিল কে জানে

মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস



আবীর ঘর থেকে বের হয়ে চারদিকে একবার চোখ বুলিয়ে নিলসন্দেহ জনক কিছু চোখে পড়ল নাওর হাত দুটি পাঞ্জাবীর পকেটে রাখাকিছুদিন হচ্ছে পাঞ্জাবী পরা শুরু করেছেএতে লাভআর্মিরা সহজে ঘাটায় নাধরে নেয় এ মুসলমানতবে কিছু ক্রিটিকাল আর্মি পথ আগলে দাঁড়ায়বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেঅদ্ভূত সব প্রশ্নযেমন, তোমার নাম কে রেখেছে? তোমার বাবা না মা?

কম্পিউটার নিয়ে কিছু স্মৃতি


ছোটকাল থেকেই কম্পিউটারকে দুর্লভ এবং অনেক অনেক বড় কিছু ভাবতামযাদের বাসায় কম্পিউটার থাকতো তাদের অনেক বড় মনে হতোহিংসা হতো

তা ২০০৫ সালে একটা কম্পিউটার নিয়ে ফেললামঢাকায় বসুন্ধরা সিটিতে মেলা চলছিলসেখানে ফ্লোরাতে অর্ডার দিলামতিনদিন পর দিবেমেলা থেকে নেওয়ার প্রকাশ্য লাভ হচ্ছে কম্পিউটারের সাথে একটি ক্যামেরা ফ্রিঅলিম্পাস এনালগ ক্যামেরাভাগ্যিস তখন ডিজিটাল সরকার ছিল নাএনালক ক্যামেরা নিয়ে কোন তিরস্কার শুনতে হয় নাই

মানু বানাইয়ে!



তখন আর্মিদের সাথে জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরিতে কাজ করছি। দুর্গম দুর্গম এলাকা যেতে হতো। কখনো দীর্ঘ পথ হেঁটে, কখনোবা হেলিকপ্টারে যাওয়া।

তো সেখানে
আমরা রাতে আড্ডা দিতামমজার মজার কথার আড্ডা! বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথাআমরা বলতে আর্মি ও আমরা কয়েকজন বেসামরিক লোকঅনেক বেশি দুর্গম এলাকা। মোটামুটি আধুনিক জগত থেকে আমরা বিচ্ছিন্ন!

ঢাকায় পরীক্ষা হলে..


গতকাল সারাদিন জার্নিতে চলে গেছেপ্রায় ৩৩৪ কি মি মোটামুটি দীর্ঘ এক বাস জার্নি
ছোট বোনের এইচ এস সি পরীক্ষাসে উদ্দেশ্যে ঢাকা আসা
হল পড়েছে মতিঝিল আইডিয়াল কলেজেতা সকালে ওকে কলেজে নিয়ে এলাম গার্জিয়ানদের অনেক ভীড়কোন কোন গার্জিয়ানের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে পরীক্ষা মেয়ের না যেন নিজের

রবীন্দ্র সরোবরে আমরা ক জনা !!



ঘন্টা খানেক আগে ফিরলামহ্যা ব্যাপক যানযটককে হজম করতে করতেমাঝে মাঝে একটু ঝিমুনি দিয়েছিলামতারপরও ভাগ্য ভাল যেখানে নামার কথা তার আগে ঘুম ভাঙছেসুতরাং ভুল জায়গায় নামি নাই

রবীন্দ্র স্মরণীতে গিয়ে পৌছেই দেখি কেউ নাইসবাই বাসায় ঘুম যাচ্ছে নাকি যে গরম পড়ছে ঘুম যাওয়ায় স্বাভাবিকদিলাম ফোন জিয়া ভাইকে, না ধরেন নাই, এরপর জামান ভাইকেনা তিনিও ধরেণ না এবার সৈকত ভাইকে দিলামনা এখানে রিং হয়ে অফ হয়ে গেলসবার কি হলো?

বৈশাখে ঢাকায় ব্লগারদের সাথে -২০০৯


প্রাণে বাজে বৈশাখী মাদল" একদিকে চলছে মঞ্চ বানানো অন্যদিকে চলছে আমাদের প্রাণবন্ত আড্ডা

মহাসমারোহে চলছে প্রথম আলো ব্লগারস ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত প্রথম অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিএই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আত্ম প্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে প্রথম আলো ব্লগার স ফোরামের সবাই মহা উত্তেজিতমঞ্চ বানানো হচ্ছে

এদিকে একপাশে রাতের আড্ডা চলছেবিভিন্ন বিষয়ে কথাবার্তা হচ্ছে