বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

অদ্ভূত সকাল

বিয়ের অনুষ্ঠানে আকিব সচরাচর যায় নাহুই হুল্লোড় তার কাছে বিরক্তিকর লাগেতবে ত্রপা আসতে বলেছে তাই এসেছেত্রপা কোন অনুরোধ করলে ফেলতে পারে না আকিব
 

আকিবের বন্ধু বান্ধব বেশি নাইসে এক কোণায় দাঁড়িয়ে গেইট দিয়ে ঢোকা মানুষগুলোকে লক্ষ্য করছেতার মনে বড় প্রশ্ন হিসাবে দেখা দিয়েছে, মানুষ এত সাজতে পারে কিভাবে! বেশিরভাগ মেয়েই মুখ ভর্তি মেকাপ দিয়ে এসেছেচোখে কি যেন জ্বল জ্বল করছে

বুধবার, ৩ জুলাই, ২০১৩

সেলিব্রেটি

রাত সাড়ে তিনটা বাজছে। কিছুক্ষণ পরই পাখি ডাকা শুরু হবে। মসজিদ গুলো থেকে ভেসে আসবে ফজরের আযান। আস্তে আস্তে পৃথিবী আলোকিত হয়ে উঠবে। রিমন পিসির সামনে বসে আছে। ফেসবুক খোলা। মেসেজের ট্যাবের দিকে মনযোগ ওর।

সোমবার, ১ জুলাই, ২০১৩

ইনবক্স

আচ্ছা একটা না দেখা ছেলের কথা শুনে তার জন্য কান্না আসে কেন! নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করে ইসরাত। গত কয়েকদিন ধরে বেজায় মন খারাপ ওর। রাতের বেলা কষ্টটা আরো বেড়ে যায়। একটা ছেলের এত দু:খ থাকবে কেন।

এমন অবস্থা যে লুকিয়ে কাঁদতে হয়। বাসার কেউ দেখলে জিজ্ঞেস করে বসবে, কান্নার কারণ কি। মা-টা সব বুঝে যায়। তাই কান্নার সময়ও সাবধানে থাকতে হয়। যাতে আশে পাশে কেউ না থাকে। এজন্য বাথরুমে ঢুকে অনেকটা সময় থাকে ইসরাত।

মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০১৩

অনুরোধ

: আচ্ছা একটা অনুরোধ করবো রাখবে?
:
আগে বলো, রাখার মত হলে রাখা হতেও পারেরাখার মত না হলে তুলে রাখবোতবে ফেলে দেবো না এ ব্যাপারে পুরাপুরি নিশ্চিত থাকতে পারো
:
তুমি না.......

শনিবার, ৮ জুন, ২০১৩

লিংক পিডিয়া (Bangladesh)

নাহ (গল্প)

চোখ বন্ধ করলেই ঘুম হয়ে গেলে ভাল হতো। জোর করে চোখ বন্ধ করে রাখছি। কিন্তু ঘুমের কোন দেখা নেই। এ মুহূর্তে যে কেউ আমাকে দেখলেই মনে করবে আমি ঘুমিয়ে আছি। কিন্তু বুঝবেও না আমি ঘুমের জন্য কি সংগ্রামটাই না করছি।

সারপ্রাইজ

লুবনার মেজাজ চরম খারাপ। জন্মদিনে মেজাজ খারাপ করা ভাল দেখায় না। কিছুক্ষণ আগে বন্ধুদের সাথে জন্মদিনের উইশ করে এসেছে।
হলে থাকে। রুমমেট চারজনই এখন আত্মীয়। কেক এনে কাটাকাটি হলো। একজনের মুখে অন্যজন কেক মাখিয়ে দিলো। নিজের মেজাজ খারাপের বিষয়টা আড়াল করে ওদের সাথে মাস্তি করেছে লুবনা।

সোমবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১২

মায়া (গল্প)

মঈন সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। নিজেকে মাঝে মাঝে মানুষ ভাবতে ইচ্ছে হয়, ইচ্ছে হয় আবেগী ভাবতে। যে চলন্ত পথে মেয়েদের গলার চেইন, কানের দুল টান দিয়ে হাওয়া হয়ে যায় সে আবেগী হয় কিভাবে। অনেক সময় কানে দুল টানতে গিয়ে কানের লতি ছিড়ে যায়। কিন্তু সেদিকে দেখার সময় কই। তার আগেই অদৃশ্য হয়ে যায় মঈন। অদৃশ্য হতে সেকেন্ড দেরি করার উপায় নেই। ইদানিং গণপিটুনি বেড়ে গেছে। গণপিটুনি মানে হচ্ছে মৃত্যু। তার দলের রাজু মারা গেল এক মাস আগে। একটুর জন্য ধরা পড়ে গেল। চেইন নিয়ে দৌড় দিচ্ছে এসময় দেখে একটা হোন্ডা জোরে আসছে সেটা দেখে থমকে দাঁড়াতেই পিছে এসে একজন ধরে ফেলে। আর যায় কই। শুরু হয় মাইর। হোন্ডার নিচে পড়ে মরলেও এত কষ্ট পেত না। মানুষের গণপিটুনিতে যত কষ্ট। দূর থেকে মঈন সব দেখছিল। নিজের সাগরেদ মারা যাচ্ছে অথচ কিছু করা যাচ্ছে না। দূর থেকে শুধু দেখে গেল চল্লিশ পঞ্চাশ জন লোক একটা লোককে সমানে মেরে যাচ্ছে।......

দু:খী মেয়ে (গল্প)

০১. মা-বাবা মরা একটা মেয়ে কতটুকু অসহায় থাকে তা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বুঝার কথা না। বুঝেও না। আর মেয়েটি যদি একটু বড় হয় তাহলে তো কথাই নাই। আশ্রয় দিতে সবাই ভয় পায়। চাচা মামা দুই পক্ষই দুই পক্ষের দিকে বাড়িয়ে দেয়। কেউ রাখতে রাজি না। শেষ পর্যন্ত যখন দেখা যায় কেউ রাখছে না তখন বড় মামা যিনি কিনা কেরানি এবং স্বচ্ছল্লতার দিক দিয়ে অন্যদের চেয়ে কম তিনি আশ্রয় দেন আসমাকে। যদিও এটা নিয়ে মামীর অনেক কথা শুনতে হয় মামাকে। - অন্যরা এত বড় লোক, কেউ তো রাখলো না। তুমি কেন আনতে গেলে?...........

সহ্য (গল্প)

একটু পর পর টুক টুক আওয়াজ হচ্ছে। ছন্দময় আওয়াজ। একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর। হয়ত প্রতিটা সময় সূক্ষ্ণ ভাবে মিলছে। একটার পর আরেকটার মাঝে যে সময় তা একই। মধ্যখানের সময় ব্যবধান একই নাকি তা ধরার চেষ্টা করে ইব্রাহিম। স্টপ ওয়াচ থাকলে ভাল হতো। কিন্তু তা হাতের কাছে নেই। মুখই ভরসা। সে গুণে যায় এক, দুই, তিন, চার পাঁচ বলতে যায় ঠিক তখনই আবার শব্দ হয়। প্রতিবারই এমন হচ্ছে। পাঁচ আর বলা হয় না। অথ্যাৎ প্রতি সাড়ে চার সেকেন্ড পর পর শব্দ হচ্ছে। সুন্দর সময় সচেতন তো। সময়ানুবর্তিতার চমৎকার উদাহরণ। ............